Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

Part -2

অভিশপ্ত কামনার ভ্রুন - পরবর্তী অংশ

অভিশপ্ত কামনার ভ্রুন

লেখা:- সিহাব হোসেন

বাসর ঘরের এমন অদ্ভুত আর দমবন্ধ করা পরিস্থিতিতে ইমরান রীতিমতো হতবাক হয়ে গেল। 🔴 কিছুক্ষণ আগের রোমান্টিক পরিবেশটা নিমিষেই কর্পূরের মতো উবে গেছে। সুবর্ণা বিছানার এক প্রান্তে কুঁকড়ে বসে নিজের দুই উরুতে পা*গলের মতো হাত বুলাচ্ছে। 🔴

ইমরান ভ্রু কুঁচকে কিছুটা বিরক্তি আর কিছুটা বিস্ময় নিয়ে জিজ্ঞেস করল, — "কী হলো হঠাৎ? এভাবে ভূতের মতো চিৎকার করে উঠলে কেন?" 🔴 সুবর্ণা কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, — "আমি বুঝতে পারছি না ইমরান। তুমি যখন আমার ঠোঁট স্পর্শ করলে, মনে হলো গলা দিয়ে ফুটন্ত এসিড ঢুকছে।" 🔴

ইমরান একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে কিছুটা চিন্তিত স্বরে বলল, — "এখন কি কোনো সমস্যা হচ্ছে? ব্যথা কি এখনো আছে?" 🔴 সুবর্ণা মাথা নেড়ে বলল, — "না... তুমি সরে যাওয়ার পর এখন আর কোনো ব্যথা নেই। সব স্বাভাবিক লাগছে।" 🔴

ইমরান এবার নিজেকে কিছুটা শান্ত করল। তার মনে হলো, বিয়ের ধকল আর নতুন পরিবেশের কারণে সুবর্ণার হয়তো মানসিক ক্লান্তি থেকে এমন হচ্ছে। 🔴 সে হালকা হেসে সুবর্ণার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, — "বেশি চিন্তা কোরো না। অনেক রাত হয়েছে, এখন শুয়ে পড়ো।" 🔴

ঘরের আলো নিভিয়ে ইমরানও তার পাশে এসে শুলো। কিন্তু কিছুক্ষণ পর, ঘুমের ঘোরেই ইমরান তার ডান হাতটা সুবর্ণার পেটের ওপর রাখল। 🔴 আর ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটে গেল আরেক বিপত্তি! ইমরানের হাতের স্পর্শ সুবর্ণার পেটে লাগামাত্রই সেই একই ভয়ংকর অনুভূতি আবার ফিরে এলো। 🔴 মনে হলো কেউ একটা জ্বলন্ত অঙ্গার তার পেটের ওপর চেপে ধরেছে!

এবার ইমরানের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল। সে কিছুটা কর্কশ গলায় বলল, — "সমস্যা কী তোমার? বারবার এমন করছ কেন?" 🔴 সুবর্ণা অসহায় ভঙ্গিতে বলল, — "বিশ্বাস করো, আমি ইচ্ছে করে কিছু করছি না। তুমি গায়ে হাত দিলেই মনে হচ্ছে শরীরের শিরায় শিরায় সুচ বিঁধছে।" 🔴

ইমরান তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে উল্টো দিকে ঘুরে শুলো। গায়ের কম্বলটা টেনে নিয়ে ঝাঁঝালো গলায় বলল, — "বাসর রাতে এমন নাটক দেখতে হবে ভাবিনি।" 🔴 ইমরানের এই রুক্ষ আচরণে সুবর্ণার বুকের ভেতরটা হু হু করে উঠল। সে অপলক দৃষ্টিতে ইমরানের চওড়া পিঠের দিকে তাকিয়ে রইল। 🔴

অন্ধকার ঘরে একাকী বসে সুবর্ণার হঠাৎ রাজনের কথা খুব মনে পড়তে লাগল। রাজন ছিল একেবারেই অন্যরকম। 🔴 সে কখনো সুবর্ণার শরীরের দিকে লোভাতুর দৃষ্টিতে তাকায়নি। অনুশোচনায় সুবর্ণার দু’চোখ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। কাঁদতে কাঁদতেই কখন যেন সে ঘুমিয়ে পড়ল। 🔴

পরের দিন সকাল থেকেই আত্মীয়-স্বজনদের আনাগোনায় দিনটি ব্যস্ততায় কাটল। কিন্তু সূর্য ডোবার সাথে সাথেই সুবর্ণার বুকের ভেতর আবার একটা অজানা ভয় বাসা বাঁধতে শুরু করল। 🔴 ইমরান ঘরে ঢুকেই দরজাটা আটকে দিল। আজ তার চোখেমুখে অন্যরকম এক নেশা। 🔴 সে ধীর পায়ে এগিয়ে এসে সুবর্ণাকে পেছন থেকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল।

ইমরান আর কোনো কথা না বাড়িয়ে সরাসরি সুবর্ণার ঠোঁটে নিজের ঠোঁট ডুবিয়ে দিল। 🔴 এক তীব্র, উন্মাদনাময় চুম্বনে সে সুবর্ণাকে ভরিয়ে দিতে লাগল। সুবর্ণাও চোখ বন্ধ করে ইমরানের উষ্ণতায় নিজেকে সঁপে দিল। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যেই সেই অভিশপ্ত যন্ত্রণার পুনরাবৃত্তি ঘটল! 🔴

ইমরানের লালা যেন আবারও এসিডে পরিণত হয়ে সুবর্ণার গলা পুড়িয়ে দিতে লাগল। অসহ্য জ্বালাপোড়ায় সুবর্ণার দম আটকে আসার উপক্রম হলো। 🔴 কিন্তু আজ ইমরান থামার পাত্র নয়। সে সুবর্ণাকে বিছানায় চেপে ধরে চূড়ান্ত মিলনের জন্য প্রস্তুত হলো। 🔴

কিন্তু গল্পের মোড় ঘুরে গেল ঠিক সেই চরম মুহূর্তে! যেই না ইমরান সুবর্ণার শরীরের ভেতর প্রবেশ করল, ঠিক তখনই তার শরীরের সমস্ত শক্তি নিমিষেই নিভে গেল। 🔴 কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানেই ইমরান বুঝতে পারল, তার সময় শেষ! সে স্তব্ধ হয়ে গেল। 🔴 ইমরানের সুঠাম দেহটা একটা নিথর মাংসপিণ্ডের মতো সুবর্ণার পাশে লুটিয়ে পড়ল।

অন্যদিকে, ইমরান নিস্তেজ হয়ে যাওয়ার পর মুহূর্তেই সুবর্ণার শরীরে ঘটে গেল এক অদ্ভুত পরিবর্তন। 🔴 তার নারীসত্তার প্রতিটি অণু-পরমাণু যেন তৃষ্ণার্ত মরুভূমির মতো হাহাকার করে উঠল। কামনার যে আগুন ইমরান জ্বালিয়ে দিয়ে মাঝপথে নিভে গেছে, সেই আগুন এখন সুবর্ণার শরীরকে দাউদাউ করে পোড়াচ্ছে। 🔴

তীব্র শারীরিক অতৃপ্তি আর রাগে সুবর্ণার শরীর থরথর করে কাঁপতে লাগল। সে হিসহিস করে বলল, — "এই তোমার পুরুষত্ব? কয়েক সেকেন্ডের মুরোদ নিয়ে আমার শরীরে আগুন জ্বালাতে এসেছিলে? ছিঃ!" 🔴 সুবর্ণার প্রতিটি শব্দ যেন ধারালো ব্লেডের মতো ইমরানের পুরুষত্বে আঘাত হানল। 🔴 আর সুবর্ণা? সে তার অতৃপ্ত শরীরের আগুন নিয়ে সারা রাত বিছানায় সাপের মতো ছটফট করতে লাগল। 🔴

Mailsuite Email tracked with Mailsuite · Opt out 04/26/26, 07:57:21 PM

Post a Comment

0 Comments