Ticker

6/recent/ticker-posts

Ad Code

বিষাক্ত_ছায়া (পর্ব: এক)


লেখক: সিহাব হোসেন


"নিজের প্রেমিকের শরীরের রান্না করা মাংস খেতে কেমন লাগল রিয়া? বেশ তৃপ্তি সহকারে তো খেলে, তাই না?" 🔴

কথাটা শোনামাত্র রিয়ার হাত থেকে খাওয়ার চামচটা ঝনঝন শব্দে প্লেটের ওপর খসে পড়ল। 🔴 গলার কাছে দলা পাকিয়ে উঠল মাত্রই পরম তৃপ্তিতে খাওয়া মাংসের টুকরোগুলো। পেটের ভেতরটা কেমন যেন গুলিয়ে উঠল তার। রিয়া চমকে উঠে সামনের চেয়ারে বসে থাকা আরিশের দিকে তাকালো। 🔴 ডাইনিং টেবিলের মৃদু আলোয় আরিশের মুখে তখন ফুটে উঠেছে এক অদ্ভুত, ক্রুর হাসি। 🔴


রিয়ার পুরো শরীর থরথর করে কাঁপছে। কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমতে শুরু করেছে। 🔴 সে কাঁপা কাঁপা গলায় কোনোমতে অস্ফুট স্বরে বলল,


— "এসবের মানে কী আরিশ? কী আজেবাজে বকছ তুমি?" 🔴


আরিশ এবার নিজের চেয়ার ছেড়ে উঠে ধীর পায়ে রিয়ার সামনে এসে দাঁড়ালো। টেবিলের ওপর দুই হাত ভর দিয়ে রিয়ার মুখের দিকে ঝুঁকে পড়ে ফিসফিস করে বলল, 🔴


— "তোমার বয়ফ্রেন্ড সজল... গত দুই দিন যাবৎ নিখোঁজ, তাই না রিয়া?"


রিয়ার চোখের মণি ভয়ে বড় বড় হয়ে গেল। 🔴 সে ঢোক গিলে বলল,


— "হ্যাঁ, কিন্তু তুমি... তুমি কীভাবে জানলে?" 🔴

আরিশ সোজা হয়ে দাঁড়ালো। ঠোঁটের কোণে সেই বাঁকা হাসিটা ধরে রেখেই বলল,


— "এসো, তাকে দেখাই। সে এখন কোথায় আর কী অবস্থায় আছে।" 🔴


রিয়া এতক্ষণে বেশ ভয় পেয়ে গেছে। আরিশের চোখের দৃষ্টি স্বাভাবিক মানুষের মতো নয়, সেখানে এক উন্মাদ শিকারির ছায়া। 🔴 রিয়া কিছু বুঝে ওঠার আগেই আরিশ খপ করে তার বাঁ হাতটা চেপে ধরল। রিয়ার কোনো বাধা না শুনেই তাকে প্রায় হিঁচড়ে টেনে নিয়ে চলল বাড়ির ভেতরের দিকের লম্বা করিডোর ধরে। 🔴


করিডোর এর একেবারে শেষ প্রান্তে একটা পুরনো কাঠের দরজা। দরজাটা ঠেলে আরিশ রিয়াকে নিয়ে একটা গোপন কক্ষে প্রবেশ করল। 🔴 রুমের পরিবেশটা বেশ ছিমছাম, কিন্তু কেমন যেন একটা হিমশীতল, গুমোট ভাব বিরাজ করছে সেখানে। ঘরের ঠিক মাঝখানে একটা লোহার খাট পাতা, আর এক কোণে রাখা আছে একটা বড়সড় ডিপ ফ্রিজ। 🔴 ফ্রিজের একটানা যান্ত্রিক গোঁ গোঁ শব্দ ছাড়া ঘরটায় আর কোনো আওয়াজ নেই। 🔴


রিয়া ভয়ে গুটিসুটি মেরে গেল। তার বুকের ভেতরটা হাতুড়ির মতো পিটছে। সে কাঁদো কাঁদো গলায় বলল,


— "আমাকে এখানে কেন নিয়ে এলে আরিশ? আমাকে ছেড়ে দাও, আমার ভয় করছে!"


আরিশ রিয়ার চিবুক ধরে একটু ওপরের দিকে তুলে বলল, 🔴


— "কাম অন রিয়া, এত ভয় পাচ্ছো কেন ডার্লিং? তোমার ভালোবাসার মানুষটার সাথে দেখা করবে না?"


এই বলে আরিশ রিয়ার হাত ধরে তাকে টেনে সেই ডিপ ফ্রিজটার সামনে নিয়ে এলো। রিয়ার পা যেন মাটিতে আটকে যেতে চাইছে, কিন্তু আরিশের শক্তির কাছে সে তুচ্ছ। আরিশ এক ঝটকায় ডিপ ফ্রিজের ভারী ঢাকনাটা খুলে ফেলল। 🔴 ভেতর থেকে একরাশ জমাট বাঁধা সাদা ধোঁয়া বেরিয়ে এলো। 🔴


ধোঁয়াটা একটু সরতেই ভেতরের দৃশ্য দেখে রিয়া এক গগনবিদারী, জোরালো চিৎকার দিয়ে উঠল। তার চোখ ফেটে জল বেরিয়ে এলো। ফ্রিজের ভেতরে, বরফের চাইয়ের ঠিক মাঝখানে রাখা আছে একটা কাটা মাথা। চোখ দুটো খোলা, রক্তহীন ফ্যাকাশে মুখ। সেটা আর কারও নয়, তার নিখোঁজ প্রেমিক সজলের মাথা! 🔴


রিয়া নিজের চুল খামচে ধরে ভয়ে আর কান্নায় পিছিয়ে যেতে লাগল। তার সারা শরীর ঘেন্না আর আতঙ্কে শিউরে উঠছে। 🔴 দেয়ালে পিঠ ঠেকে যেতেই রিয়া চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে বলল,


— "তুমি... তুমি আমার সজলকে মেরেছো! তুমি একটা খুনি! একটা জানোয়ার! তোমাকে আমি কিছুতেই ছাড়বো না। আমি পুলিশকে সব বলে দেব। তোমার ফাঁসি হবে আরিশ!"


আরিশ রিয়ার কথা শুনে হো হো করে অট্টহাসিতে ফেটে পড়ল। 🔴 হাসি থামিয়ে সে তাচ্ছিল্যের সুরে বলল,


— "বোকা মেয়ে! একেবারে বাংলা সিনেমার নায়িকাদের মতো ডায়লগ দিচ্ছ। সিনেমা আর বাস্তব এক নয় রে রিয়া। পারলে গিয়ে বলো দেখি পুলিশকে!"


রিয়া আর এক মুহূর্তও সেখানে দাঁড়ালো না। সে জানপ্রাণ দিয়ে দৌড়ে ঘরের দরজার দিকে ছুটে গেল। কিন্তু দরজার হাতল ধরে টান দিতেই তার বুকটা ধড়াস করে উঠল। দরজা বাইরে থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক করা। সে পাগলের মতো দরজায় ধাক্কা দিতে লাগল। 🔴


পেছন থেকে আরিশের ঠান্ডা গলা ভেসে এলো,


— "কী ভেবেছ? এত সহজে তুমি আমার হাত থেকে পার পাবে? কখনো না রিয়া। আজ রাতে তোমাকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যাবো, যেখান থেকে কেউ কোনোদিন ফিরে আসে না।"


কথাটা শেষ করেই আরিশ ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে এসে রিয়ার চুল মুঠি করে ধরল। রিয়ার আর্তনাদকে পাত্তা না দিয়ে তাকে শূন্যে তুলে আছড়ে ফেলল ঘরের মাঝখানে রাখা সেই লোহার বিছানায়। 🔴 রিয়া উঠে পালানোর চেষ্টা করতেই আরিশ তার গায়ের ওপর চেপে বসল। বেডের চার কোনায় আগে থেকেই রাখা ছিল মোটা লোহার শিকল। আরিশ অত্যন্ত দক্ষ হাতে রিয়ার হাত এবং পা সেই শিকল দিয়ে শক্ত করে বেঁধে ফেলল। রিয়া ব্যথায় আর অসহায়ত্বে ডুকরে কেঁদে উঠল।



এরপর আরিশ এক ভয়ানক উন্মাদনায় রিয়ার শরীরের সমস্ত পোশাক টেনে ছিঁড়ে ফেলল। রিয়ার অসহায়, নগ্ন শরীরের দিকে তাকিয়ে আরিশের চোখ দুটো যেন জ্বলজ্বল করে উঠল। সে ঠোঁট চেটে বলল, 🔴


— "উফ, নাইস! আই উইল ইট ইয়োর বডি টুনাইট।"


এই বলে আরিশ এক ক্ষুধার্ত নেকড়ের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল রিয়ার ওপর। রিয়া নিজেকে বাঁচানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগল, মাথা এদিক-ওদিক করে চিৎকার করতে লাগল,


— "বাঁচাও! আমাকে কেউ বাঁচাও!"

আরিশ রিয়ার ঘাড়ে মুখ গুঁজে পৈশাচিক স্বরে বলল,


— "যত খুশি চিৎকার করো বেবি। এই রুমটা পুরোপুরি সাউন্ডপ্রুফ। তোমার এই মিষ্টি আওয়াজ এই চার দেয়ালের বাইরে এক ইঞ্চিও যাবে না।"


সারারাত ধরে চলল আরিশের নারকীয় তাণ্ডব। রিয়ার শরীরটাকে সে নিজের বিকৃত কামনার শিকার বানাল। চোখের জলে রিয়ার গাল ভেসে গেল, গলার স্বর ভেঙে গেল, কিন্তু আরিশের মনে বিন্দুমাত্র দয়া হলো না।


ভোরের আলো যখন ফুটতে শুরু করেছে, রিয়ার শরীর তখন ক্লান্তিতে আর ব্যথায় প্রায় অবশ। তার দুচোখে শুধুই ঘৃণা আর প্রতিশোধের আগুন। সে হাঁপাতে হাঁপাতে, ভাঙা গলায় বলল,


— "একবার... শুধু একবার যদি এখান থেকে জীবিত বের হতে পারি, তোকে আমি জ্যান্ত রাখবো না আরিশ। তোকে আমি নিজের হাতে খুন করব!"


আরিশ খাটের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের শার্টের বোতাম লাগাচ্ছিল। রিয়ার কথা শুনে সে মুচকি হাসল। তারপর বলল,


— "এত হাস্যকর কথা কেউ সকাল সকাল বলে ডার্লিং? তোমার তো আর কোনোদিন সকালই হবে না।"

এই বলে আরিশ বিছানার পাশ থেকে একটা ভারী বালিশ তুলে নিল। কোনো কিছু বোঝার আগেই সে বালিশটা রিয়ার মুখের ওপর চেপে ধরল। রিয়া দম বন্ধ হয়ে আসতে থাকায় হাত-পা ছুঁড়তে লাগল। শিকলের ঝনঝন শব্দে পুরো ঘর ভরে গেল। সে আপ্রাণ চেষ্টা করল মাথাটা সরিয়ে নেওয়ার, কিন্তু আরিশের পুরো শরীরের ভারের কাছে সে হার মানল। কিছুক্ষণ ছটফট করার পর একসময় রিয়ার শরীরটা একদম নিস্তেজ হয়ে এল। শিকলে বাঁধা হাত দুটো নির্জীব হয়ে ঝুলে পড়ল বিছানার পাশে। 🔴


রিয়া মারা গেছে নিশ্চিত হওয়ার পর আরিশ বালিশটা সরিয়ে নিল। এক বুক স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল সে। তার চোখেমুখে কোনো অনুশোচনা নেই, বরং এক ধরনের তৃপ্তি কাজ করছে। সে পকেট থেকে চাবি বের করে রিয়ার হাত-পায়ের শিকলের বাঁধন খুলে দিল। তারপর রিয়ার নিথর দেহটা কাঁধে তুলে নিয়ে গেল বাড়ির পেছনের দিকের আরেকটা অন্ধকার রুমে।


সেখানে একটা প্লাস্টিক বিছানো টেবিলের ওপর রিয়ার মৃত দেহটা শোয়ালো আরিশ। ড্রয়ার থেকে বের করল একটা ধারালো ছুরি আর করাত। এরপর অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায়, কোনো রকম বিকার ছাড়াই রিয়ার শরীরটাকে পিস পিস করে কাটতে শুরু করল। রক্তে ভেসে গেল মেঝের অনেকটা অংশ। কাটা মাংসের টুকরোগুলো সে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে খুব সাবধানে পানিতে ধুয়ে পরিষ্কার করল। তারপর কালো রঙের বড় পলিথিনের ব্যাগে ভরে শক্ত করে বেঁধে রাখল। মাথাটা রাখলো আরেকটা ব্যাগে।


সব কাজ শেষ করে আরিশ নিজের রুমে ফিরে 🔴এল। বাথরুমে ঢুকে হালকা গরম পানিতে দীর্ঘ সময় ধরে গোসল করে নিজের শরীরের সমস্ত রক্ত আর অপরাধের চিহ্ন ধুয়ে ফেলল। এরপর আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচড়ে, পারফিউম মেখে নিজেকে এমনভাবে প্রস্তুত করল, যেন সে সমাজের সবচেয়ে ভদ্র আর মার্জিত একজন মানুষ। তাকে দেখে ঘুণাক্ষরেও কারও বোঝার উপায় নেই যে, এই চকচকে মুখোশের আড়ালে কত বড় এক ভয়ানক, রক্তপিপাসু পশু লুকিয়ে আছে।


শহরের ব্যস্ততম থানা। ইনস্পেক্টর ফাহিম নিজের কেবিনে বসে মনোযোগ দিয়ে একটা মার্ডার কেসের পুরনো ফাইল চেক করছিলেন। থানার স্বভাবসুলভ কোলাহলের মাঝেই হঠাৎ করে এক বয়স্ক লোক বেশ হন্তদন্ত হয়ে ফাহিমের কেবিনে ছুটে এলেন। 🔴লোকটির চেহারায় চরম উদ্বেগ আর চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট।


তিনি ফাহিমের টেবিলের সামনে এসে প্রায় কেঁদে ফেলার মতো গলায় বললেন,


— "প্লিজ স্যার, আমার মেয়েকে বাঁচান! গত দুই দিন যাবৎ ওর কোনো খোঁজ পাচ্ছি না। ওর ফোন বন্ধ। বন্ধুদের কাছে, কোনো আত্মীয়ের বাসাতেও সে নেই। আমি সব জায়গায় খুঁজেছি। প্লিজ স্যার, কিছু একটা করুন!"

ফাহিম ফাইলটা বন্ধ করে লোকটির 🔴দিকে তাকালেন। মানুষটার অবস্থা দেখে তার বেশ মায়া হলো। তিনি নিজের চেয়ার থেকে উঠে এসে লোকটির কাঁধে হাত রেখে বললেন,


—" দেখুন, আপনি আগে শান্ত হোন। এইভাবে ঘাবড়ে গেলে তো চলবে না। আপনি ওই চেয়ারটায় বসুন। এক গ্লাস পানি খান, তারপর কী হয়েছে আমাকে সবটা খুলে বলুন।"


ভদ্রলোক একটু শান্ত হয়ে চেয়ারে বসলেন। ঢোক গিলে বলতে শুরু করলেন,


— "স্যার, আমার মেয়ের নাম রিয়া। গত দুই দিন আগে সকালে সে কলেজের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। কিন্তু তারপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাইনি। কলেজ ছুটির পর সন্ধে হয়ে গেলেও যখন সে ফিরল না, তখন ফোন করি। কিন্তু ফোন সুইচড অফ। আমি ভেবেছিলাম হয়তো বন্ধুদের সাথে কোথাও গেছে, কিন্তু আজ দুই দিন হয়ে গেল... আমার মেয়ের কোনো খোঁজ নেই স্যার।"


ফাহিম ভুরু কুঁচকে মনোযোগ 🔴দিয়ে কথাগুলো শুনলেন। বিষয়টা বেশ সিরিয়াস মনে হচ্ছে তার কাছে। তিনি পকেট থেকে নোটপ্যাড বের করে বললেন,


— "আপনার মেয়ের কোনো ছবি আর ওর ফোন নাম্বারটা দিন আমাকে।"


লোকটি কাঁপাকাঁপা হাতে নিজের মানিব্যাগ থেকে একটা পাসপোর্ট সাইজের ছবি বের করে ফাহিমের হাতে দিলেন। ছবিতে হাসিমুখের মিষ্টি একটা মেয়ে, রিয়া। রিয়ার বাবা এরপর কাঁপা গলায় একটা ফোন নাম্বার বললেন, যা ফাহিম দ্রুত লিখে নিলেন।


ফাহিম তৎক্ষণাৎ ইন্টারকমে কল করে ডিউটি অফিসারকে বললেন,


— "জলিল, আমার রুমে একজন এসেছেন, একটা মিসিং ডায়েরি লেখো। আর হ্যাঁ, আইটি সেলকে বলো আমি একটা নাম্বার পাঠাচ্ছি, ইমিডিয়েটলি এই নাম্বারের লাস্ট লোকেশন আর কল লিস্ট ট্র্যাকিং করে আমাকে রিপোর্ট দিতে। দিস ইজ আর্জেন্ট!"


ফোন রেখে ফাহিম রিয়ার বাবার দিকে তাকিয়ে আশ্বাস দিয়ে বললেন,


— "আপনি মিসিং ডায়েরিটা🔴 করে বাড়ি যান। আমরা আমাদের কাজ শুরু করে দিয়েছি। চিন্তা করবেন না, আমরা আপনার মেয়েকে খুঁজে বের করব।''


রিয়ার বাবা দুহাত জোড় করে ফাহিমকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাইরে চলে গেলেন। ফাহিম নিজের চেয়ারের পেছন থেকে লেদার জ্যাকেটটা টেনে গায়ে জড়ালেন। টেবিল থেকে গাড়ির চাবি আর রিভলবারটা পকেটে পুরে নিলেন। আইটি সেল থেকে রিপোর্ট আসার আগেই প্রথম সূত্র হিসেবে তিনি রিয়ার কলেজের দিকে রওনা হলেন। কারণ, অপরাধী যত চালাকই হোক না কেন, কোথাও না কোথাও সে একটা সূত্র ঠিকই ফেলে যায়। আর ফাহিম সেই সূত্র ধরেই এগিয়ে যাবেন অন্ধকারের গহ্বরে লুকিয়ে থাকা সেই পশুর দিকে। কিন্তু ব্যাপারটা কি আদৌও সহজ হবে? 

Post a Comment

0 Comments